লকডাউনে গাংনী বাজার ছাড়া সব এলাকায় দোকান-পাট খোলা

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সারাদেশে আগের চাইতে দ্রুত ও বেশি ছড়ালেও সরকারের ঘোষিত লকডাউনে তেমন কোন সাড়া দেয়নি মেহেরপুরের জনগন। সোমবার ৫ এপ্রিল মেহেরপুর ও গাংনীতে প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের তৎপরতায় দুটি প্রধান শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লকডাউন মেনে চলার চেষ্টা করেছে লোকজন। তবে অন্যান্য প্রতিটি এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রিতিমত খোলা রয়েছে এবং মানুষজন স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। শুধু তাই নয় তারা মুখে মাস্ক পর্যন্ত ব্যবহার করে নাই। মেহেরপুরে গাংনী উপজেলার বামন্দী পশুর হাটে ব্যাপক লোকসমাগম লক্ষ করা গেছে।

সেখানে শতকরা ৯৫ ভাগ মানুষ মাস্ক ছাড়া গাদাগাদি করে হাটে জমায়েত হয়েছেন। জানতে চাওয়া হলে অধিকাংশ মানুষ বলেন ”আমরা গরীব আমাদের করোনা হবে না, যারা এসি ঘরে থাকে তাদের করোনা হয়।”
এদিকে লকডাউনের মধ্যেও গরুর হাটে ব্যবসা চলছে কেন জানতে চাইলে হাট ইজারাদার নাসির শেখ বলেন, “হাট বন্ধ’র ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আছে কিনা জানতে চেয়েছিলাম, প্রশাসন আমাদের বলেছে বন্ধের ব্যাপারে কোন নির্দেশনা নাই। যে কারণে আমরা হাট বসিয়েছি।”।

এদিকে গাংনী-মেহেরপুর শহরের সকল দোকান পাট বন্ধ থাকলেও বামন্দী গরুর হাট শহরের বড় বড় দোকান পাট খোলা রাখলেও প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। এর আগে গাংনী বাজারের ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকান পাট খোলার অনুমতি চাইলেও তাদের সে দাবি মানা হয়নি অথচ অন্যান্য এলাকায় সকল দোকান পাট খোলা রয়েছে। এজন্য প্রশাসনের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম শাহ নেওয়াজ বলেন, সব জায়গায় লকডাউনের নির্দেশনা আছে। গাংনীতেও যেমন লকডাউন মানা হচ্ছে দোকান পাট বন্ধ করা হয়েছে তেমন সকল জায়গাতেও একই নির্দেশ মানতে বলা হয়েছে। আর গরুর হাটের বিষয়ে যেহেত কোন নির্দেশনা আসেনি সেহেতু ঐটার বিষয়ে নতুন করে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

বার্তা প্রেরক
এ সিদ্দিকী শাহীন
মেহেরপুর প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন