পাবনায় লাগামহীন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের বাজার

পাবনায় বিভিন্ন  বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য বাজারে দাম নিয়ে উৎকন্ঠায় ভোক্তারা।জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় পন্যের বাচারের নৈরাজ্যতা, এতে করে বিপাকে পড়েছে ভোক্তারা।

২০০ টাকা নিয়ে বাজার করতে আসা বেসরকারি  চাকুরীজীবী রমজান আলী সারা বাজার ঘুরে অবশেষে এক পোয়া মরিচ ,এক কেজি আলু, মসুর ডাল ও ছোট মাছ কিনলেন ।তিনি বলেন এই দিয়েই সপ্তাহ খানেক চালিয়ে নিতে পারবো।এত গেলো নিম্ন বিওের কথা, উচ্চ বিও মধ্যবিত্ত শ্রেনির মানুষ গুলোও বাজার করতে এসে পড়েছেন বিপাকে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাজারে নতুন  সবজি ফুল কফি প্রতি কেজি ১০০টাকা ,প্রতি কেজি মুলা ৬০,পেঁপে ৩০,করলা পটল ও কচু ৫০,বেগুন ৬০,পুল্লা ৪০,প্রতি কেজি শসা ৬০ টাকা, প্রতি কেজি মরিজ ২০০ টাকা দরে, প্রতি পিচ লাউ মান ভেদে ৬০-৮০ টাকা বিক্রি হয় ।এ দিকে নৌরাজ্য চলছে সবজির রাজা আলুর  বাজারে সরকার আলু দাম সব্বোচ খুরচা মূল্য ৩৫ টাকা নিধারন করলেও ,নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে  বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা কজি দরে ।

এ ব্যপারে জানতে চাই বিক্রেতার কাছে ,তার দাবি আড়ৎদাররা দাম কমায়নি বলে দাম কমেনি খুরচা বাজারে। আর বর্ষার কারনে কৃষক আবাদ করায় সরবরাহ কম থাকায় দাম সকল সবজির।

 

দাম বেড়েছে সয়াবিন তেলেরও ৫ টাকা বেড়ে খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, সুপার ৯০,এছাড়াও বোতলজাত কৃত তেল ১০৫-১১০ টাকায় বিক্রি হয় ,মসুরেরে ডাউল ৫ টাকা বেড়ে মান অনুসারে প্রতিকেজি ৭০ ও১০০টাকায় বিক্রি হয়। খেসারি ৬০,মাসকলাই ১৩০,মুগডাল ১২০, এবং  চিনি ৬০ টকা কেজি দরে বিক্রি হয় ।

 

তবে স্হিতিশীল আছে সকল প্যকেটজাত মসলার বাজার।

 

দাম বাড়োনি পেয়াজের বাজারে প্রতি কেজি পেয়াজ মান ভেদে ৮০-৯০ টাকা, আদা ২০০, রসুন ১০০ ও প্রতি কেজি জিরা ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

 

বেড়েছে প্রোল্টি মুগীর দাম প্রতি কেজি বয়লার ১৩০, লেয়ার ২৩০, প্যারেল মুরগি ২০০ ও সোনালি ২৬০ ,গরুর মাংস মান ভেদে ৪৫০-৬০০ টাকা বিক্রি হয় ।

ভোক্তারা বলছেন করোনা কালে এমনিতে তারা আর্থিকভাবে বিপযস্ত ,কমেছে আয় ।এ সময় যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের বাজার এতটা চরাও হয় তাহলে না খেয়ে মরতে হবে। তারা সরকারের এ ব্যপারে স-ুনজর দিতে অনুরোধ জানান।

 

তবে কিছুটা আশা খবর শোনালেন পাইকার ,তিনি বলেন বর্ষার পানি চলে যাওয়াও বিভিন্ন চর এলাকায় ইতোমধ্যে সবজি আবাদ শুরু হয়েছে।তাইতো  তিন বলেন  ১০-১৫ দিনের মধ্যে সবজি বাজারে ভোক্তার নাগালে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন ।

বার্তা প্রেরক
আব্দুল জব্বার
পাবনা প্রতিনিধি

মন্তব্য করুনঃ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন